প্রেস বিজ্ঞপ্তি: চট্টগ্রাম অটোটেম্পো মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ব্যানারে গতকাল চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এক সাংবাদিক সম্মেলন এবং প্রেস ক্লাবের সামনে সাংবাদিক সম্মেলন পরবর্তী এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম অটোটেম্পো মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ব্যানারে সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান হয়। মালিক-শ্রমিক তথা জনস্বার্থের বিবেচনায় সাংবাদিক সম্মেলনে পড়ে শোনান লিখিত বক্তব্য তুলে ধরা হলো।

প্রসঙ্গ : সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, বৈধভাবে আমদানিকৃত মাক্সিমা, মাহিন্দ্রা, পিয়াজো H Power নামীয় ( থ্রী হুইলার) অটোটেম্পো পাবলিক ট্রান্সপোর্ট, বিআরটিএ কর্তৃক চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় চলাচলের নিমিত্তে চট্টমেট্রো-ফ-১১-০০০০ সিরিয়ালে রেজিষ্ট্রিকৃত, ট্যাক্সটোকেন, ফিটনেস, অগ্রীম আয়কর, ডিজিটাল নাম্বার প্লেট, ইন্সুরেন্স এবং রুট পারমিট ফি পরিশোধের পর রুট পারমিট প্রদানে দীর্ঘসুত্রিতার প্রেক্ষিতে, মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক রুট পারমিট প্রদান ও রুট পারমিট প্রদানকালীন সময়ে আরটিসি অনুমোদিত চট্টগ্রাম সিটি কপোরেশন এলাকায় অটোটেম্পো গাড়ীগুলো চলাচলে বাধা সৃষ্টি না করার নির্দেশনা থাকা সত্তে¡ও জনস্বার্থ ও স্বাধীনতাবিরোধী তথাকথিত একটি কুচক্রি মহল ও পুলিশের বাধা প্রদানসহ ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার অপতৎপরতার প্রতিবাদে

সাংবাদিক সম্মেলন ও মানববন্ধন

স্থান: চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব

তারিখ : ০৯/০৬/২০১৮

আয়োজক :চট্টগ্রাম অটোটেম্পো মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ

চট্টগ্রাম মহানগরে দায়িত্বপালনরত উপস্থিত গনমাধ্যমকর্মী তথা প্রিন্ট,ইলেকট্রনিক্স ও অনলাইন সাংবাদিকবৃন্দ, আসসালামুআলাইকুম। উপস্থিত সকলের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

আমরা সাংবাদিক সম্মেলন ও মানববন্ধনে উপস্থিত অটোটেম্পো মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের পক্ষে নিন্মস্বাক্ষকারীগন চট্টগ্রাম মহানগরে বসবাসরত বাংলাদেশের সুনাগরিক হই। দেশের আইন কানুনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নিজেদের কর্মসংস্থান, দৈনন্দিন রুটি-রুজি নিশ্চিত করা আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। যা আমরা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতা অর্জনের মাধ্যমে লাভ করেছি।

এই সাংবিধানিক অধিকারের আলোকে নিজেদের কর্মসংস্থানের আশায় পরিবহন আমদানীকারক প্রতিষ্ঠান উত্তরা মোটরর্স,র‌্যাংগস মোটরর্স ও কর্ণফূলী ইন্ডাষ্ট্রিজ লি: কর্তৃক বৈধভাবে আমদানিকৃত মাক্সিমা, মাহিন্দ্রা ও পিয়াজো অটোটেম্পো ক্রয় করি এবং পরিবহন ব্যবসায় নিয়োজিত হই।

বৈধভাবে আমদানিকৃত অটোটেম্পো প্রতি সরকার রেজিষ্ট্রেশন ফি, ট্যাক্স টোকেন, ফিটনেস ফি, ডিজিটাল নাম্বার প্লেট, অগ্রীম আয়কর, ইন্সুরেন্স এবং রুট পারমিট ফি বাবদ ১৪৮২৭/- টাকা আমাদের নিকট থেকে গ্রহন করেছে। কিন্ত  চট্টগ্রাম মেট্রো এলাকায় চলাচলের নিমিত্তে বৈধভাবে আমদানিকৃত মাক্সিমা, মাহিন্দ্রা, পিয়াজো ( থ্রী হুইলার) অটোটেম্পো পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সরকার কর্তৃক রেজিষ্ট্রিকৃত, ট্যাক্সটোকেন, ফিটনেস, অগ্রীম আয়কর, ডিজিটাল নাম্বার প্লেট, ইন্সুরেন্স এবং রুট পারমিট ফি পরিশোধের পরও সরকারের পক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ

চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন রিজিওনাল ট্রান্সপোর্ট কমিটি(আরটিসি) কর্তৃক

রুট পারমিট প্রদান স্থগিত করে রাখা হয়েছে ও মেট্রোপলিটন এলাকায় চলাচলে বাধা প্রদান করা হচ্ছে। যদিও রুট পারমিট স্থগিত করার কোন যুক্তি সংগত কারনই ছিলো না। রুট পারমিট বন্ধ করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত স্বার্থ রক্ষা ও বর্তমান সরকারের সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলতে সচেষ্ট রয়েছে। এই স্বার্থান্বেষী মহলের কারনে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডের বিপরীতে সাধারন পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের ক্ষোভের সৃষ্টি করছে। অথচ বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মানবতার নেত্রী সাধারন মানুষের মুখে হাঁসি ফোটানোর জন্য, দরিদ্র জনগনের জীবনমান উন্নয়নে দিন-রাত এক করে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। সাধারন মানুষের জীবন-মানের উন্নয়ন আজ শুধু মুখের কথা নয়, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ আন্তর্জাতিক মহলেও আজ প্রশংশিত।

পড়ুন : রুট পারমিট প্রদানে চসিক মেয়র বরাবরে স্মারকলিপি

সরকারের পক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ বিধিবদ্ধভাবে রুট পারমিট প্রদান করবে এটাই স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্ত তা না করে রুট পারমিট প্রদানে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে সরকারের বিপক্ষে সাধারন পরিবহন মালিক-শ্রমিকদেও কর্মসংস্থানহীন বেকাওে পরিনত করে চলেছে। আমাদের বিশ্বাস এরা সরকারের ভেতর লুকিয়ে থাকা সরকারের প্রতিপক্ষ। মাসের পর মাস রুট পারমিট প্রদান প্রক্রিয়া ঝুলিয়ে রেখে এরা সরকারের বিপক্ষে কাজ করছে। আমরা এই ষড়যন্ত্রের নিন্দা ও তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং দীর্ঘদিন রুট পারমিট বন্ধ রেখে আমাদের গাড়ী চলাচল করতে না দেয়ায় আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি বিধায় আমরা ক্ষতিপূরন দাবী করছি।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বর্নিত অটোটেম্পো গুলোর রুট পারমিট ইস্যুর জন্য দেশের সর্বোচ্চ আদালত মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশন কর্তৃক রীট পিটিশন নং-৪৪৮২ তারিখ: ০৩/০৪/২০১৮ইং অনুসারে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন রিজিওনাল ট্রান্সপোর্ট কমিটি(আরটিসি)কে এক মাসের মধ্যে রুট পারমিটের আবেদনগুলি নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হলে গত ০৯/০৪/২০১৮ইং তারিখে আরটিসি’র সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্বান্তে রুট পারমিট ইস্যু না করার সিদ্বান্ত গ্রহন ও রুট পারমিট প্রদানে বিলম্ব  করার কারনে পরবর্তীতে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের রীট পিটিশন নং-১০৬৭/২০১৮ তারিখ: ১২/০৪/২০১৮ইং অনুসারে স্বার্থান্বেষী মহলের ষড়যন্ত্রমুলক মামলার কারনে রুট পারমিট প্রদান প্রক্রিয়া ০৩ মাসের জন্য স্থগিত রাখার আদেশ দেয়া হয়। রায়ের সার্টিফাইড কপি স্বাক্ষর হয়েছে ১৮/০৪/২০১৮ইং তারিখে, অথচ ০৯/০৪/২০১৮ইং তারিখে অনুষ্ঠিত সভার কার্যবিবরনী ইচ্ছাকৃতভাবে ১৯/০৪/২০১৮ইং তারিখে স্বাক্ষর করা হয়। এতে প্রমানিত হয় যে ইচ্ছাকৃতভাবে সাধারন জনগনকে সরকারের বিপক্ষে সেন্টিমেন্ট সৃষ্টি করার জন্য এই ধরনের ষড়যন্ত্রের আশ্রয় গ্রহন করা হয়। বর্নিত রীট পিটিশনের রায়ের বিরুদ্ধে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগে লিভ টু আপীল মামলা নং-১৯২৪/২০১৮ইং তারিখ: ০৮/০৫/২০১৮ইং অনুসারে মহামান্য হাইকোর্টের রায় স্থগিত ৩১/০৫/২০১৮ইং শুনানীর জন্য আদেশ দেয়া হয়। আমরা মালিক-শ্রমিকগন রুট পারমিট ইস্যুর জন্য বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা সত্তে¡ও রুট পারমিট ইস্যু করা হয় নাই। উক্ত আদেশ ৩১/০৫/২০১৮ইং মহামান্য সুপ্রিম কোর্টে শুনানীর পর ২৪/০৬/২০১৮ইং তারিখ শুনানীর দিন ধায্য করা হয়েছে এবং মহামান্য হাইকোর্টের রায় স্থগিত করা হয়। উক্ত রায়ের আলোকে রুট পারমিট ইস্যু করা যায় মর্মে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি এ্যটর্নী জেনারেল এডভোকেট কামাল উদ্দিন সাহেব গত ১৪/০৫/২০১৮ইং আইনগত পরামর্শ প্রদান করার পরও সরকারের মধ্যে লুকিয়ে থাকা সরকার বিরোধী চক্র রুট পারমিট ইস্যু না করে মালিক-শ্রমিকদেও সরকারের বিপরীতে সেন্টিমেন্ট সৃষ্টি করার জন্য এই ধরনের আইন বহির্ভুত কর্মকান্ড পর্যায়ক্রমে করা হচ্ছে। আমরা এই জনস্বার্থ বিরোধী কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা জানাই।

পড়ুন : জনগনের কথা ভাবার কেউ নেই!

কেডিএ মোটরস(ডিলার কর্ণফূলী ইন্ডাষ্ট্রিজ লি:) মহামান্য হাইকোর্টেও রীট পিটিশন নং ৬৪৬৯/২০১৮ তারিখ: ১৫/০৫/২০১৮ইং অনুসারে রুট পারমিট ইস্যুর জন্য নির্দেশনা থাকা ও গাড়ী চলাচলে বাধা প্রদান না করার নির্দেশ থাকা সত্তে¡ও নগরীর পুলিশ প্রশাসন অটোটেম্পো চলাচলে বাধা প্রদান করছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অদ্যাবদি রুট পারমিট ইস্যুর কোন পদক্ষেপ গ্রহন করে নাই। অটোটেম্পা মালিকদের পক্ষে কাজী আলতাফ হোসেনগং কর্তৃক মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশনের রীট পিটিশন নং ৭৫৮০/২০১৮ তারিখ: ৩০/০৫/২০১৮ইং অনুসারে রুট পারমিট প্রদানের এবং অটোটেম্পো চলাচলের জন্য নির্দেশ দেয়া সত্তে¡ও গাড়ীগুলি রাস্তায় চলাচলে রুট পারমিট ইস্যুর জন্য আরটিসি কোন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করে নাই। মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আপিল মামলাটি আগামী ২৪/০৬/২০৮ইং পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। এমতাবস্থায় রুট পারমিট প্রদানের আইনগত কোন বাধা না থাকা সত্তে¡ও রুট পারমিট ইস্যু করা হচ্ছে না বিধায় অটোটেম্পো গুলো রাস্তায় চলাচল করতে না পারায় মালিক-শ্রমিকগন আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে। রুট পারমিট ইস্যু করার এবং গাড়ী চলাচলের বাধা প্রদান না করার মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের একাধিক নির্দেশ থাকা সত্তে¡ও রুট পারমিট ইস্যুতে সময় ক্ষেপন করা হচ্ছে এবং রাস্তায় গাড়ী চলাচলে পুলিশ কর্তৃক প্রতিনিয়ত মালিক-শ্রমিককে হয়রানি করা হচ্ছে। আমরা এহেন কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

মালিক-শ্রমিকগন নিদারুন আর্থিক সমস্যায় আজ জর্জরিত। প্রত্যেকের পরিবারে বৃদ্ধ মা-বাবা,ভাই-বোন,ছেলে-মেয়েদেও দৈনন্দিন ভরন পোসন চালাতে পারছেন না। কিছু মালিক আছেন যারা চাকরি থেকে অবসর নিয়ে এবং ব্যাংক ও এনজিও প্রতিষ্ঠান থেকে অটোটেম্পো গাড়ীগুলো এয় কওে পরিবহন ব্যবসায় নিয়োজিত হয়েছেন। এই গাড়ীগুলো অনেকেরই বেঁচে থাকার শেষ অবলম্বন। অটোটেম্পো মালিক-শ্রমিকরা আজ অসহায়। গত কয়েক মাস যাবত প্রত্যেকেই মানবেতর জীবন যাপন করছেন বিধায় মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের একাধিক রায়ে রুট পারমিট ইস্যু করার এবং রাস্তায় গাড়ী চলাচলে বাধা সৃষ্টি না করার নির্দেশনা থাকায় অতি সহসা মালিক-শ্রমিকদের আর্থিক দুরবস্থার বিষয় বিবেচনায় রুট পারমিট ইস্যু করার ও রাস্তায় অটোটেম্পো চলাচলে পুলিশ ও কিছু সংখ্যক স্বার্থান্বেষী মহল কর্তৃক বাধা অপসারনে সংবাদ সম্মেলনে ও মানববন্ধনে আমাদের দাবী হল:-

১। অনতিবিলম্বে আদালতের নির্দেশনা মেনে রুট পারমিট প্রদান করতে হবে।

২। আদালতের নির্দেশনা মেনে রুট পারমিট প্রদান না করা পর্যন্ত মাক্সিমা, মাহিন্দ্রা ও পিয়াজো (থ্রী হইলার)  

নামীয় অটোটেম্পো পাবলিক ট্রান্সপোর্ট রাস্তায় চলাচলে বাধা প্রদান করা যাবে না এবং

৩। জনস্বার্থ ও স্বাধীনতাবিরোধী একটি কুচক্রি মহলের অপতৎপরতার বিষয়ে সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু

মেহনতী মানুষের জয় হোক।

চট্টগ্রাম অটোটেম্পো মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের পক্ষে

মোহাম্মদ মুসা

সভাপতি

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখা।

অলি আহমদ

সাধারন সম্পাদক

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখা।

মোবাইল:০১৭১১৮৯৮২২০

কাজী আলতাফ হোসেন 

উপদেষ্টা

চট্টগ্রাম সীতাকুন্ড অটোটেম্পো মালিক সমিতি

সাধারন সম্পাদক, আকবরশাহ থানা আওয়ামীলীগ

মোবাইল:০১৮১৯৮৫০৫৫৩

বোরহানুল হক বোরহান

চট্টগ্রাম জেলা অটোটেম্পো শ্রমিক ইউনিয়ন

মোবাইল:০১৮৭৫৫২৫৫০৯

আরো উপস্থিত ছিলেন সীতাকুন্ড অটোটেম্পো মালিক সমিতির কার্যকরী সভাপতি আব্দুল হক বাবুল. বহাদ্দারহাট অটোটেম্পো শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক আহম্মেদ হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা রিক্সা ও অটোটেম্পো শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ শফি, চট্টগ্রাম অটোটেম্পো ড্রাইভার ও সহকারী শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম অটোটেম্পো রিক্সা ও সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, চট্টগ্রাম অটোটেম্পো শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ও চট্টগ্রাম সীতাকুন্ড অটোটেম্পো শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ হাসান প্রমুখ নের্তৃবৃন্দ।