জে,জাহেদ চট্টগ্রাম: কর্ণফুলী উপজেলায় আদিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ও তুচ্ছ ঘটনায় দুই চেয়ারম্যান সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন ছুরিকাহত সহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। আজ শনিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার চিড়ারটেক নামক এলাকায় শিকলবাহার বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম বকুল সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিরা হলেন মো. রাজু (২২), নাজিম উদ্দিন (২৫) আবুল কালাম (২৮) ও মোঃ হোসেন (৩০)। আহতদের প্রত্যেককে মুমুর্ষ অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ড ও সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। রাজু ছুরিকাহত হলেও বাকি তিনজনের পেটে এবং পিঠের বাঁ পাশে গুলি লেগেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। তবে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায় নি। অন্যদিকে আহতদের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক।

শিকলবাহা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, পরিষদ ভবনে ইফতার পার্টিতে আসার সময় রাজু নামে একজনকে ছুরিকাঘাত করে বিপক্ষীয় ছেলেরা। পরে এলাকার লোকেরা ঘটনার বিস্তারিত জানতে গেলে বকুল চেয়ারম্যানের সমর্থকেরা গুলি ছুড়ে এবং তাতে নাজিম, কালাম,হোসেন নামে আরো তিনজন গুলিবিদ্ধ হয় বলে জানান। তিনি দাবি করেন দু’পক্ষের মধ্যে কোন গুলি বিনিয়ময় হয়নি বরং বকুল সমর্থকেরা গুলি চালিয়েছে।

অসমর্থিত সূত্রে জানা যায়, আহত রাজুর অবস্থা দেখে উত্তেজিত জনতা বকুল চেয়ারম্যানের বাড়িতে হামলা চালাতে গেলে দু’পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। এ সময় দু’পক্ষের ছোড়া গুলিতে উল্লেখিত ব্যক্তিরা আহত হন বলেও জানা যায়। সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে আবুল কালাম বকুলের মোবাইল ফোনে একাধিক বার রিং করলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

ঘটনার বিষয়ে কর্ণফুলী থানার অপারেশন অফিসার মোহাম্মদ হোসাইন জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং বর্তমানে পরিস্তিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কিভাবে এ ঘটনা ঘটল জানতে চাইলে উক্ত পুলিশ কর্মকর্তা জানান,শিকলবাহা চেয়ারম্যানের ইফতার পার্টিতে যাওয়ার সময় চিড়ারটেকে রাজু ও রুবেল এর মারামারি হয়। পরে রাজু ছুরিকাহত হওয়ার ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে দু’পক্ষের সমর্থকেরা সংঘর্ষে জড়িয়ে গুলাগুলি করেন বলে জানা গিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান,বকুল চেয়ারম্যানের বাড়িতে হামলা করেছে শিকলবাহার চেয়ারম্যান ও তার সমর্থকেরা।