ফোকাস বাংলা।টিভি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শুধু রোহিঙ্গা ক্যাম্পে থাকা মিয়ানমারের জনগোষ্ঠী নয়,বরং উখিয়ার তিনটি ইউনিয়নের জনগণও এবারের ঈদে আর্থিক সাহায্য সহযোগিতা পাবে। কেননা রোহিঙ্গাদের স্থান করে দেওয়ায়,উখিয়ার হাজার হাজার জনগণ ও তাদের স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারছেনা।

বর্তমান সরকার শুধু রোহিঙ্গাদের কথা ভাবছেনা, সেক্ষেত্রে উখিয়ায় বসবাস করা বাংলাদেশী জনগণের ও ব্যবস্থা নিতে প্রকল্প হাতে হাতে নিয়েছে।যা অতি শীঘ্রেই বাস্তবায়ন হচ্ছে এবারের ঈদে। বুধবার (৩০ মে) বিকেল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২৫ কোটি ভারতীয় রুপি খরচ করে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এই ভবন রক্ষণাবেক্ষণ তহবিল থেকে প্রতি বছর ১০ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে ফেলোশিপ দেবে বিশ্বভারতী।

তিনি বলেন, আমি ২০০৯ সালে এই ভবন নির্মাণ করার মনস্থির করি। বাংলাদেশ ভবন রক্ষণাবেক্ষণে ১০ কোটি স্থায় তহবিল আমরা গঠন করব। এই তহবিল থেকে অর্জিত লভ্যাংশ থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশের ১০ শিক্ষার্থীকে এমফিল ও পিএইচডি অর্জনের জন্য ফেলোশিপ দেয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরকালে যৌথ ইশতেহারে ‘বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ভবন নির্মাণের’ কথা উল্লেখ করা হয়। ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির বাংলাদেশ সফরের সময় ২০১৩ সালে এ বিষয়ে ঘোষণা দেয়া হয়।

তিনি বলেন, এরই অংশ হিসেবে আমাদের শিক্ষা মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং স্থাপত্য অধিদফতর যৌথভাবে এ ভবনটি নির্মাণ করেছে। এতে ২৫ কোটি ভারতীয় রুপি খরচ হয়েছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানমন্ত্রীকে গত শনিবার ডিলিট ডিগ্রিতে সম্মানিত করে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত শনিবার পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি গ্রহণ করেন।

সাম্প্রতিক সফরে শেখ হাসিনা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। শেখ হাসিনা এই সফরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি এবং কলকাতায় নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু জাদুঘর পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বোন শেখ রেহানা।